মডেল তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধ'র্ষণ, ধ'র্ষক গ্রে'ফতার

মিউজিক ভিডিওতে মডেলিং করার জন্য গাজীপুর থেকে পঞ্চগড়ে ডেকে এনে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধ'র্ষণের অ'ভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পঞ্চগড়ের বোদা থা'নায় তিন জনের নাম উল্লেখ করে এবং অ'জ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে আ'সামি করে মা'মলা করেছেন ওই মডেল তরুণী.

পু'লিশ মা'মলার প্রধান দুই আ'সামি উপজে'লা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবিদা সুলতানা লাকী' ও প্রথম বাংলা আইপি টিভির চিফ নিউজ এডিটর ও ইউটিউবার সাজ্জাদ হোসেন মিলকে গ্রে'ফতার করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাদের আ'দালতের মাধ্যমে জে'লহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মা'মলা সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় থাকতেন ধ'র্ষণের শিকার ওই মডেল তরুণী। ইউটিউবের জন্য বিভিন্ন মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার সময় পাঁচ বছর আগে পরিচয় হয় পঞ্চগড়ের বোদা উপজে'লার সাজ্জাদ হোসেন মিলনের সঙ্গে। ঢাকায় মিলন ভিডিও সম্পাদনার কাজ করতেন।

প্রথম বাংলা টিভি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের চিফ নিউজ এটিডর ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতেন সাজ্জাদ। এ স'ম্পর্কের সূত্র ধরেই সম্প্রতি সাজ্জাদ নিজ এলাকা বোদায় একটি মিউজিক ভিডিও তৈরির জন্য মডেল হিসেবে কাজ করতে ওই তরুণীকে আসতে বলেন। গত ১৪ জুলাই সকালে বোদায় পৌঁছায় ওই তরুণী।

সাজ্জাদ তাকে নিয়ে যায় বোদা উপজে'লা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবিদা সুলতানা লাকী'র থা'নাপাড়ার বাড়িতে। তার বাড়িতেই ওই তরুণীকে ফাঁদে ফেলে সাজ্জাদসহ ৪/৫ জন মিলে ধ'র্ষণ করেন। পরদিন তাকে বোদা পৌরসভা'র ভাসাইনগরে এক বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও তাকে ধ'র্ষণ করা হয়। সন্ধ্যার পর একপর্যায়ে কোনো মতে সেখান থেকে পালিয়ে বোদা থা'নায় আশ্রয় নেয় ওই তরুণী।

রাতেই ওই তরুণী ৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০/১২ জন অ'জ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আ'সামি করে বোদা থা'নায় মা'মলা করেন। মা'মলার নামীয় আ'সামিরা হলেন- বোদা পৌরসভা'র ঝিনুকনগর এলাকার রফিকুল ইস'লামের ছে'লে প্রথম বাংলা আইপি টিভির চিফ নিউজ এডিটর ও ইউটিউবার সাজ্জাদ হোসেন মিলন (৩৩), বোদা উপজে'লা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবিদা সুলতানা লাকী' (৪৬) ও বোদা নগরকুমা'রী এলাকার জসীম উদ্দিন (২২)। রাতেই সাজ্জাদ হোসেন মিলন ও আবিদা সুলতানা লাকী'কে গ্রে'ফতার করেছে পু'লিশ।

মা'মলার ত'দন্তকারী কর্মক'র্তা বোদা থা'নার পরিদর্শক (ত'দন্ত) আবু সায়েম মিয়া বলেন, প্রধান দুই আ'সামিকে আ'দালতের মাধ্যমে জে'লহাজতে পাঠানো হয়েছে। আম'রা আ'দালতে তাদের ৫ দিন করে রি'মান্ড আবেদন করেছি। এ ছাড়া ধ'র্ষণের শিকার ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও জবানব'ন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বাকি আ'সামিদেরও গ্রে'ফতারের জন্য আমাদের অ'ভিযান অব্যাহত রয়েছে।পঞ্চগড়ের পু'লিশ সুপার (এসপি) মোহাম্ম'দ ইউসুফ আলী বলেন, এ ধ'র্ষণের ঘটনায় অনেক বিষয় বেরিয়ে আসছে। আম'রা ধারণা করছি এ ঘটনার সঙ্গে বড় একটি চক্র কাজ করেছে। আ'দালত আ'সামিদের রি'মান্ড মঞ্জুর করলে আরও অনেক তথ্য আম'রা বের করতে পারব। আম'রা পুরো চক্রটিকেই বের করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

Back to top button