সদরঘাটে হুড়োহুড়িতে পা হারালেন কবির

ঈদযাত্রায় রাজধানীর সদরগাঠে লঞ্চে হুড়োহুড়ি করে উঠতে গিয়ে এক যাত্রীর পা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আরেক যাত্রীর পা ভেঙে গেছে। লঞ্চ ও পন্টুনের মধ্যবর্তী স্থানে তাদের পা চাপা পড়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। আ'হতরা হলেন পটুয়াখালীর শাহ'জালাল (৩৭) ও কবির হোসেন। তাকে উ'দ্ধার করে রবিবার বিকেলে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতা'লে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) রেফার্ড করা হয়। আজ সোমবার (২ মে) নিটোরে কবির হোসেনের প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বাঁ পা অ'স্ত্রপচার করে কে'টে ফেলতে হয়েছে।

চিকিৎসকেরা জানান, কবির হোসেনের ডান পায়েও আ'ঘাত লেগেছে। এছাড়া আ'হত আরেক যাত্রী মো. শাহ'জালালের পায়ে অ'স্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে তার পায়ের আ'ঘাত গুরুতর নয়।

আজ মিটফোর্ট হাসপাতা'লের ওয়ার্ড মাস্টার সাজ্জাদ হোসেন সমকালকে বলেন, আ'হত দুজনকে রোববার সকালে মিটফোর্ড হাসপাতা'লে আনা হয়েছিল। পরে তাদেরকে নিটোরে স্থা'নান্তর করা হয়। কবির হোসেনের স্বজন দুলাল হাওলাদার বলেন, ঈদের ছুটি থাকায় হাসপাতা'লে চিকিৎসক ও নার্সের স্বল্পতা রয়েছে।

এদিকে পায়ে আ'ঘাত পাওয়া আরেক যাত্রী মো. শাহ'জালালকেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে নিটোরে। তিনি জানান, গতকাল সকালে পটুয়াখালীগামী অনেক যাত্রী ঘাটে লঞ্চের জন্য অ'পেক্ষা করছিলেন। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এই নৌপথের পূবালী-১২ লঞ্চটি ঘাটে ভিড়তে শুরু করলে এতে ওঠার জন্য যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। এ সময় লঞ্চ ও পন্টুনের মধ্যে পা আ'ট'কে যায় শাহ'জালাল ও কবিরের। পরে তাদের উ'দ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতা'লে পাঠানো হয়।

গতকাল রাতে শাহ'জালালের পায়ের অ'স্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে পায়ের আ'ঘাত গুরুতর নয় বলে চিকিৎসকেরা তাকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হাসপাতা'লে থাকার পরাম'র্শ দিয়েছেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর গো'লাম সাদেক জানান, আ'হত দুই যাত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন এমভি পূবালী-১২ লঞ্চের মালিক আজগর আলী।

Back to top button