প্রতারকের খপ্পরে মেহের আফরোজ শাওন, খোয়াালেন টাকা-পয়াসা

প্রতারণার কবলে পড়েছেন অ'ভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। প্রতারক প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করেছেন বলে জানান শাওন। এরপর ধানমণ্ডি থা'নায় অ'ভিযোগ করলে ওই প্রতারককে গ্রে'প্তার করতে সক্ষম হয় পু'লিশ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে শাওন গণমাধ্যমকে নিজের অ'ভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘ওই প্রতারক আমাকে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী পরিচয় দিয়ে বলেন, হু'মায়ূন আহমেদের নামে নুহাশ পল্লীতে একটি মিউজিয়াম করার জন্য অস্ট্রেলিয়ান একটি সংস্থা ডোনেট করতে চায়। এরপরে তিনি আমা'র মায়ের প্রসঙ্গে কথা বলে জানান যে, আম'রা কলিগ। মা কেমন আছে, ইত্যাদি। পরে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব পরিচয়ে একজনের নম্বর দেন। ’

শাওন ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘আমা'র সঙ্গে সচিব পরিচয় দিয়ে একজন ভদ্রলোক কথা বলছিলেন। মিউজিয়ামের একটা অর্থ রয়েছে সেসব ছাড়ের জন্য সরকারি কিছু খরচ রয়েছে। টুকরো টুকরো সেসব খরচ বাবদ তিনি প্রায় ৩২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বলেন। ভুল বলব না, আমি বোকামিটা করেছি এখানেই। বিকাশে কেন পরিশোধ করলাম! যাই হোক। পরে আমাকে জানালো নুহাশ পল্লীতে একটা টিম ভিজিট করতে যাবে। কিন্তু বেশ কয়েক দিন কে'টে গেলেও তাদের খোঁজ নেই। আমি ২৫ জুলাই ফোন করে বন্ধ পাই। তখন আমি বুঝে যাই যে প্রতারণা হয়েছে। ’

পু'লিশের তৎপরতার কথা উল্লেখ করে শাওন বলেন, ‘সবাই ভেবে নেয়, পু'লিশের কাছে গেলে কিছু হবে না। কিন্তু আমি যদি এড়িয়ে যাই, তাহলে সে অন্যত্র প্রতারণা করবে। আমি যে কবার পু'লিশের কাছে গিয়েছি, নিরাশ হইনি। এই যে প্রতারকের বি'রুদ্ধে অ'ভিযোগ করেছি, পু'লিশ দ্রুত আ'সামি ধরে এনেছেন। ’

শাওন বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি অ'বাক হয়ে গিয়েছি। একই ব্যক্তি তিনজনের কণ্ঠ নকল করে কথা বলেছেন। আর তার কণ্ঠ, উচ্চারণ একেবার নিখুঁত। ’

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থা'না এলাকায় অ'ভিযান চালিয়ে মো. রবিউল ইস'লাম (৪১) নামের ওই প্রতারককে গ্রে'প্তার করা হয়। তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও ভুয়া রেজিস্ট্রেশন করা চারটি সিমকার্ড জ'ব্দ করে ডিবি। অর্গানাইজড ক্রা'ইম ইনভেস্টিগেশন টিমের টিম লিডার অ'তিরিক্ত উপপু'লিশ কমিশনার মো. নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Back to top button