গাজায় ইস'রায়েলি যু'দ্ধাপরাধ স্পষ্টত প্রতীয়মান: এইচআরডব্লিউ

গাজা উপত্যকায় গেল মে মাসের সংঘাতে ইস'রায়েলি বাহিনীর বি'রুদ্ধে বেসাম'রিক নাগরিক হ'ত্যাসহ যু'দ্ধাপরাধের অ'ভিযোগ এনেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) এক ত'দন্ত প্রতিবেদনে নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটি এমন দাবি করেছে। তারা বলছে, গাজায় ইস'রায়েলি সাম'রিক বাহিনীর হা'মলা স্পষ্টত যু'দ্ধাপরাধের শামিল।

এরইমধ্যে ইস'রায়েলি বাহিনীর হেফাজতে এক ফিলি'স্তিনিকে পি'টিয়ে হ'ত্যার অ'ভিযোগ উঠেছে। এদিকে ইস'রায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করা একটি গুপ্তচর দলকে গ্রে'প্তারের দাবি করেছে ই'রানের নিরাপত্তা বাহিনী।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ দিনের ওই সংঘাতে ইস'রায়েলি বাহিনীর অন্তত তিনটি হা'মলায় ৬২ বেসাম'রিক নাগরিক নি'হত হয়েছেন। এসব হা'মলা স্থলের আশপাশে কোনো সাম'রিক উপস্থিতি কিংবা হামাসের আস্তানার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যদিও ইস'রায়েলি সে'নাবাহিনীর দাবি, গাজায় কেবল হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করেই হা'মলা চালিয়েছে তারা।

অন্যদিকে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইস'রায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে হামাসের ছোড়া অন্তত সাড়ে চার হাজার রকেট হা'মলার শিকার হন মূলত বেসাম'রিক নাগরিকরাই।

গাজায় ইস'রায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক বিমান হা'মলাকে কেন্দ্র করে ফিলি'স্তিনের সঙ্গে চলমান উত্তে'জনার মধ্যেই ইস'রায়েলি বাহিনীর হেফাজতে এক ফিলি'স্তিনিকে পি'টিয়ে হ'ত্যার অ'ভিযোগ উঠেছে। নি'হত ওই ফিলি'স্তিনির পরিবারের দাবি, কারাগারে মৃ'ত্যুর আগ পর্যন্ত তাকে বেধড়ক পি'টিয়েছে ইস'রায়েলি সে'নারা।

মৃ'ত্যুর পর তার ছবি ও আ'ট'ককৃত অন্যান্য ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে এমন অ'ভিযোগ করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

গেল ২৩ জুলাই পশ্চিম জেরুজালেমের কুখ্যাত মোসকাবিয়া ব'ন্দিশি'বিরে আবু ইউসুফ আল-খাতিব আল-তামিমি নামে ৪৩ বছর বয়সী ওই ফিলি'স্তিনির মৃ'ত্যু হয় বলে জানানো হয়।

চার সন্তানের বাবা আল-তামিমি অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শুয়াফাত শরণার্থী শি'বিরের বাসিন্দা। কয়েকদিন আগে সামান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাকে গ্রে'প্তার করা হয়েছিল।

তার গর্ভবতী স্ত্রী' রানা ও অন্যান্য বন্দীরা বলেন, নি'হত হওয়ার আগে ইস'রায়েলি বাহিনীর ব্যাপক নি'র্যাতনের শিকার হন আবুু ইউসুফ। তাকে বেদম মা'রধর করা হয়েছে। রানা বলেন, মোসকাবিয়ার অন্যান্য কারাকক্ষের বন্দীরা আমাদের ফোন দিয়েছিল। তারা আবুু ইউসুফের চি'ৎকার শুনতে পেয়েছেন। তাকে বৃষ্টির মতো ঘুষি মা'রা হয়েছে। নি'র্যাতনের এক পর্যায়ে তিনি মা'রা যান।

কারাগারে যাওয়ার আগে তার কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল না বলেও জানান রানা। তার শাশুড়ি আমাল তাহা বলেন, ঈদুল আজহার কারণে ইউসুফসহ আরও তিন বন্দী আল্লাহর নাম জপছিলেন। কিন্তু কারাপ্রহরীরা তাদের তা করতে না করেন। এ নিয়ে কথা কা'টাকাটি হয়েছিল। পরে আরেকটি কারাকক্ষে নিয়ে তাকে নি'র্যাতন করে হ'ত্যা করা হয়েছে।

তার মৃ'ত্যুর পর যে ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ'খম দেখা গেছে। এসব ক্ষত ঢাকতে তাতে সেলাই দেওয়া হয়েছে। হাঁটুতে র'ক্তাক্ত জ'খম ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশে মা'রধরের দাগ পড়ে গেছে।

এদিকে ইস'রায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করা একটি গুপ্তচরগোষ্ঠীকে গ্রে'প্তারের দাবি জানিয়েছে ই'রানের নিরাপত্তা বাহিনী। এছাড়াও তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অ'স্ত্র উ'দ্ধারের কথাও জানান তারা।

Back to top button