কে সেই কোটিপতি কন্যা? ভা'র্সিটিতে পড়তে যাবে মে'য়ে, সঙ্গে চাই ১৩ কর্মী…

কয়েক মাস আগেই বেরিয়েছিল বিজ্ঞাপনটি— মালিককে ঘুম থেকে তোলার জন্য কর্মী চাই!
কিন্তু কার জন্য এমন বিজ্ঞাপন, সে প্রশ্নেই সরগরম ছিল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। তবে উত্তরটি মিলেছে সম্প্রতিই। জানা গেছে, এক ভা'রতীয় কোটিপতির কি'শোরী কন্যা সবে ভর্তি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার যাতে কোনো রকম অ'সুবিধা না হয়, তার জন্যই এত আয়োজন!

স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছে ওই মে'য়েটি। তার মধ্যেই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে সে। জুটে গেছে সবচেয়ে অ'ভিজাতের তকমা'ও।-খবর আনন্দবাজারপত্রিকা

একসময় এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই বিখ্যাত প্রাক্তন ছা'ত্রী ছিলেন ডিউক ও ডাচেস অব কেমব্রিজ উইলিয়াম ও কেট। কিন্তু সেই সময় উইলিয়ামও আর পাঁচজন পড়ুয়ার মতো খুব সাধারণভাবেই থাকতেন। তাই ভা'রতীয় কোটিপতি-কন্যার জন্য এমন আয়োজনে হতভম্ব অনেকেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ওই ছা'ত্রী বরাবরই বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য কি সেসব ছাড়তে হবে তাকে? এটি তো আর কয়েক মাসের ব্যাপার নয়! পুরো চার বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে কা'টাতে হবে। কিন্তু এতদিন থাকতে গেলে সহপাঠীদের সঙ্গে তো ঘর শেয়ার করতে হবে! এমনকি নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে!

মে'য়ের এহেন অ'সুবিধায় এগিয়ে আসে পরিবারই। বাড়ির আদরের মে'য়ের যাতে ক'ষ্ট না হয়, তার জন্যই বিলাস-ব্যসনের এলাহি আয়োজন। প্রথমেই সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি একটি বিশাল বাড়ি কিনে ফেলেছে পরিবারটি। মাঝেমধ্যে সেখানে গিয়ে মে'য়েকে সঙ্গ দেবেন তার বাবা-মা ও ভাই।

কিন্তু মে'য়ের কাজ কে করবে? তার জন্যই তো নিয়োগ করা হয়েছে ১৩ কর্মীকে। আর এ কর্মী নিয়োগ করার জন্যই যোগাযোগ করা হয়েছিল এক অ'ভিজাত নিয়োগকারী সংস্থা সিলভা'র সোয়ানের সঙ্গে। তারা একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, শহরতলিতে ঘরের কাজের জন্য ১৩ অ'ভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মী চাই। মাইনে— বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড।

এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞাপনে এ-ও বলা ছিল যে, ঘরের কাজের মহিলা কর্মীকে কর্মশক্তিতে ভরপুর, উচ্ছল হতে হবে। ওই মহিলা কর্মীর কাজ হল— রুটিন অনুযায়ী অন্য কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, ওয়্যারড্রব গ্রুমিং ও মে'য়েটির ব্যক্তিগত শপিংয়ে সাহায্য করা। শুধু তা-ই নয়, মে'য়েটির ঘুম থেকে উঠে ক্লাসে যেতে দেরি না হয়ে যায়, সে কারণে মে'য়েটিকে ঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠিয়ে দেয়াটাও মহিলা কর্মীর কাজের মধ্যে পড়বে।

আর খাওয়া-দাওয়া? সে বিষয়েও অ'ভিজ্ঞতাসম্পন্ন শেফ খুঁজেছে পরিবারটি। বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ওই ছা'ত্রীর জন্য রান্না করতে যারা ইন্টারভিউ দেবেন, তাদের ভা'রতীয় খাবার বানানো জানতে হবে।

বিশেষ করে, দক্ষিণ ভা'রতীয় খাবার। এ ছাড়া চাইনিজ ও ইতালীয় খাবারদাবার বানানোয়ও দক্ষ হতে হবে শেফকে। এ ছাড়া সাহায্যকারী কর্মীদের দলে থাকছেন একজন মালি, একজন গাড়ির চালক ও এক বাটলার।

কে সেই কোটিপতি কন্যা, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে ভা'রতীয় সংবাদমাধ্যমেও। কারণ কোনো সংবাদমাধ্যমেই এখনও মে'য়েটি বা তার কোটিপতি বাবার নাম প্রকাশিত হয়নি।

Back to top button