ই-ভ্যালির বি'রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

১০০ থেকে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত অস্বাভাবিক ‘ক্যাশব্যাক’ অফার দিয়ে ব্যবসা করছে বাংলাদেশি ডিজিটাল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি। একের পর এক চট'কদার অফারে হাজার হাজার গ্রাহক আকৃষ্ট হচ্ছেন। ফলে অল্পসংখ্যক গ্রাহক লাভবান হলেও বেশির ভাগই হচ্ছেন প্রতারিত। দেরিতে হলেও ই-ভ্যালির এ ধরনের কার্যকলাপের বি'রুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “আম'রা বাংলাদেশ ও যু'ক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অ'পারেশন ফোরাম এগ্রিমেন্ট (টিকফা)’র বৈঠক নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই এদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারিনি।”

আগামীকাল বৃহস্পতিবার ই-ভ্যালির বি'রুদ্ধে কী' ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় সে বিষয়ে বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেব। কী' ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনই এ বিষয়টি বলা যাচ্ছে না। তবে কিছু না কিছু ব্যবস্থা তো নেয়া হবেই।’

প্রসঙ্গত, মাত্র ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধন দিয়ে শুরু করা এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন এখনো ৫০ হাজারই। ২০১৮ সালের ১৪ মে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের কার্যালয় (আরজেএসসি) থেকে নিবন্ধন নেয় ই-ভ্যালি ডট'কম লিমিটেড। এর অনুমোদিত মূলধন ৫ লাখ টাকা। ১০ টাকা মূল্যমানের এক হাজার শেয়ারের মালিক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্ম'দ রাসেল। চার হাজার শেয়ারের মালিক তার স্ত্রী' ও কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। পরিশোধিত মূলধনের মধ্যে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন মোহাম্ম'দ রাসেল আর শামীমা নাসরিন দিয়েছেন ৪০ হাজার টাকা।

ই-ভ্যালি সূত্রে জানা গেছে, তাদের নিবন্ধিত গ্রাহক ৩৫ লাখ ছাড়িয়েছে। মাসে লেনদেন হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকার পণ্য। ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির বিপরীতে কর দেওয়া হয়েছে দেড় কোটি টাকা। গড়ে প্রতি মাসে পণ্য বিক্রির অর্ডার পাচ্ছে তারা ১০ লাখ করে। তাদের সঙ্গে এরই মধ্যে যু'ক্ত হয়েছে ২৫ হাজার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এবং তারা ৪ হাজার ধরনের পণ্য বিক্রি করে কমিশন পাচ্ছে।

Back to top button