নামাজ পড়া অবস্থায় মা’রা গেলেন শি'শু জুবায়ের

বাবার সঙ্গে ম'সজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিল ৭ বছর বয়সী জুবায়ের। কিন্তু কে জানতো এটাই তার জীবনের শেষ নামাজ হবে। নিভে যাবে জীবন প্রদীপ। শুক্রবার এশার নামজের সময়কালীন নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাম ম'সজিদে বি’স্ফোরণে জুবায়ের (৭) মা’রা যায়। অ’গ্নিদ’গ্ধ হয়ে গুরুতর আহ’ত হয় তার বাবা সলেমান জুলহাস (২৮)। বর্তমানে তিনি শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশ’ঙ্কাজনক বলে জানান পরিবার সদস্যরা।

নিহ’ত জুবায়েরের বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজে'লার রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের বাহেরচর বাজারে এবং মা রাহিমা বেগমের বাড়ি একই ইউনিয়নের গন্ডাদুলা গ্রামে। শুক্রবার রাত ১ টায় শি'শু জুবায়েরের মৃ’ত্যুর খবর শুনে নানা বাড়ি ও দাদা বাড়িতে শো’কের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার-স্বজনদের আহাজা’রি ও কা’ন্নায় ওই এলাকার আকাশ বাতাস ভা'রী হয়ে উঠেছে। শনিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, জুবায়েরের দাদা বাড়ি বাহেরচর বাজারে আত্মীয়-স্বজনদের কা’ন্নার রোল চলছে।

কা’ন্নাজ'ড়িত ক’ণ্ঠে জুবায়েরের দাদি সালেহা বেগম বলেন, ‘কোরবানির এক সপ্তাহ পর জুবায়ের ঢাকা বাবা-মায়ের কাছে যায়। বাবার সঙ্গে ও (জুবায়ের) নামাজ পড়ত। ম'সজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে আমা'র আদরের সেই নাতি পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে। রাত ১ টায় হাসপাতা'লে তার মৃ’ত্যু হয়। আমা'র ছে'লে জুলহাস মৃ’ত্যুর সঙ্গে পা’ঞ্জা ল’ড়ছে। তার জন্য সকলে দোয়া করেন। আমা'র বুকের মানিকরে যেন আল্লাহ ফিরিয়ে দেয়।’

শনিবার বিকেল ৪ টায় নি'হত জুবায়েরের মা রাহিমা বেগম মুঠোফোনে বলেন, তার ছে'লে জুবায়েরের লা’শ তার কাছে হ’স্তান্তর করা হয়েছে। ঢাকা থেকে লা’শ নিয়ে তিনি রাঙ্গাবালীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

Back to top button