ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ

আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি। গত দুই বছর করো'না মহামা'রীর কারনে অনেকে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারেনি। এবার করো'নার প্রভাব না থাকায় সবাই পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগ পাচ্ছে।

রাজধানীর কমলাপুর ও গাবতলীতে যাত্রীদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। শনিবার (২৩ এপ্রিল) সরজমিনে যায় বিডি২৪লাইভ। কল্যানপুর থেকে কুষ্টিয়াগামী আব্বাস আলী নামের এক যাত্রী জানান, গত দুই বছর পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে না পারায় এবার আগেভাগেই ঢাকা ছাড়ছি। এ বছর করো'না মহামা'রী না থাকায় আম'রা পরিবারের সাথে ঈদ করতে পারবো। গত দুইটি বছর আম'রা এক অভাবনীয় অ'ভিজ্ঞতার স্বীকার হয়েছি এ বছর অবশ্য স্বস্তি ফিরেছে।

তবে, ভাড়া ও যানজট নিয়ে যাত্রীদের বিস্তর অ'ভিযোগ রয়েছে। অনেকে আশ'ঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ঈদের ছুটি না দিতেই শহরে যে পরিমাণ যানজট ছুটি পড়ার সাথে সাথে এর তীব্রতা আরো প্রকট হবে।

এদিকে ঢাকা থেকে খুলনাগামী আসাদুল্লাহ আল গালিব নামের এক যাত্রী জানান ভিন্ন অ'ভিজ্ঞতার কথা, সবশেষ ঈদে গ্রামে যাওয়ার সময় যানজটের কবলে পড়ে বাড়ি পৌছায় ঈদের দিন সকালে। হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, শুধু আমি না ঢাকা শহরে বসবাসরত অনেক নিম্নবিত্ত পরিবারকে এমন পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয় এর কারন সড়কে অব্যাবস্থাপনা ও যানজট। দীর্ঘদিন ঢাকার ফ্রুটপাতে সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রতিবছর গ্রামে গিয়ে ঈদ করার অ'পেক্ষায় থাকি। গত দুইটি বছর গ্রামে ঈদ না করতে পারায় এবার আগেভাগেই গ্রামে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ঈদ আসলেই ঢাকা শহর নানান অব্যাবস্থাপনায় নিমজ্জিত হয়। অ'তিরিক্ত ভাড়া, সিট না পাওয়া, যানজটসহ বিভিন্ন কারনে ঘরমুখী মানুষদের ব্যাপক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। প্রসাশনের এমন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত অনন্ত এই সময়ে মানুষ যেন দুর্ভোগের স্বীকার না হয়। সবাই যেন ঠিক সময়ে বাড়ি পৌঁছাতে পারে এবং পরিবারে সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে।

কল্যানপুরে জেআর পরিবহন কাউন্টার মাষ্টার লিটন মিয়া বিডি২৪লাইভকে বলেন, এবারের ঈদের বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বেশি। ২০ তারিখের পর থেকে মানুষের চাপ বেশি। অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, তবুও যাত্রীদের চাহিদা শেষ হচ্ছে না। সরকারি ছুটি তো এখনও শুরু হয়নি। এবারের ঈদ যাত্রায় গাড়ি সংকটে পড়তে পারে।

Back to top button