পবিত্র শবে কদরের রাতে দেশের সব ম'সজিদে মু'সল্লিদের ঢল

মু'সলমানদের কাছে ‘লাইলাতুল কদর’ একটি মহিমান্বিত রাত। প্রতিবছর পবিত্র রমজানের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে ‘লাইলাতুল কদর’ পালন করা হয়। ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে ধ'র্মপ্রা'ণ মু'সলমানরা এ রাতটি কা'টান।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব ম'সজিদে ধ'র্মপ্রা'ণ মু'সল্লির ঢল নামে।

মহিমান্বিত এই রজনীতে ধ'র্মপ্রা'ণ মু'সল্লিরা এশার নামাজ, তারাবি শেষে মহান আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তুষ্টির্জনের জন্য নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির আসগার, কবর জেয়ারত, দান-সদকা ও ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকেন।

এদিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় ম'সজিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র এশার নামাজ ও তারাবি আদায় করেন ধ'র্মপ্রা'ণ মু'সল্লিরা। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির জন্য দোয়া মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে করো'নাভাই'রাস মহামা'রি থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করা হয়।

‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, ম'র্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। তাই এই রাতটি মু'সলমানদের জন্য ভাগ্য রজনী হিসেবে সম্মানিত। শবে কদর অর্থ হলো ম'র্যাদাপূর্ণ রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। লাইলাতুল কদরের রাত হচ্ছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম রাত।

পবিত্র কুরআনুল কারিম নাযিলের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই রাতকে হাজারের মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ উত্তম ও মহা সম্মানিত রাত হিসেবে আমা'রদের জন্য দান করেছেন। প্রতিবছর রমজান মাসের শেষ দশকের রাতগুলোর মধ্যে কোনো এক বিজোড় রাত হলো ভাগ্য নির্ধারণ বা লাইলাতুল কদরের রাত।

যে রাতে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। আল্লাহতায়ালা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি ম'র্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদর রজনী কী'? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অ'পেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ হ'জরত জিবরাইল আলাইহিস সালামকে সমভিব্যহারে অবতরণ করেন; তাঁদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা বা ফজর পর্যন্ত। (আল কুরআন, সুরা-৯৭ [২৫] আল কদর)

Back to top button