দুঃখ প্রকাশ করে বাঁচলেন সাকিব ও মোহামেডান

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বায়োবাবল ভাঙার ঘটনায় দোষ স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করায় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে সতর্ক করে দিয়েছে সিসিডিএম। ক্লাবের পাশাপাশি, সাকিব আল হাসানকেও সতর্কবার্তা দিয়েছে তারা। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে কঠোর শা'স্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ।

করো'নার কারণে বারবার পিছিয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। ব্যয়বহুল বায়োবাবলের দায়িত্ব কে নেবে সেটা নিয়েও চলেছে টানাপোড়েন। কিন্তু বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গণে ক্রিকেট ফিরলেও বাংলাদেশে ঘরোয়া ক্রিকেট ফিরেছে অনেক দেরিতে। তবে সেখানেও বারবার বায়োবাবল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে হরহামেশা।

শত বাঁ'ধা টপকে অবশেষে মে মাসের শেষ দিনে মাঠে গড়ায় চলতি মৌসুমের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজধানীর চারটি পাঁচ তারকা হোটেলে বায়োবাবল পরিস্থিতি তৈরি করে বিসিবি। যেখানে রাখা হয়েছে ১২ দলের ক্রিকেটার এবং তাদের পরিবারদের।

ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এতো চেষ্টার পরও কোনভাবেই বায়োবাবলটা টেকানো গেল না একটি ক্লাব এবং তার ক্রিকেটারের জন্য। পরিষ্কার করে বললে মোহামেডান এবং তাদের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের কারণেই ভাঙলো ডিপিএলের বায়োবাবল। চৌঠা জুন, বায়োবাবলের বাইরে থেকে একজন স্টাফ এবং নেট বোলার নিয়ে বিসিবির ইনডোরে অনুশীলন করেন সাকিব। পরে এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠায় তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় সিসিডিএম।

সেই নোটিশের জবাবে দুঃখ প্রকাশ করে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিয়েছে মোহামেডান এবং সাকিব আল হাসান। আর প্রথমবার হওয়ায় আপাতত সতর্কবার্তা দিয়ে দায় সারলো ডিপিএল কর্তৃপক্ষ।

সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ জানিয়েছেন, চৌঠা জুন সাকিব বাইরের কয়েকজনকে নিয়ে ইনডোরে অনুশীলন করেছিলো। আম'রা সেটা জানতে পেরে মোহামেডান ক্লাবকে নোটিশ দেই। এটা পরিষ্কার বায়োবাবলের ব্রিচ ছিলো। তবে, তারা দোষ স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে। তাই আপাতত তাদের আম'রা সতর্কবার্তা দিয়েছি। আশা করি, এটার পুনরাবৃত্তি হবে না।

ভুল একবার যখন হয়েছে, তখন সেটা হতে পারে বারবারই। কঠোর না হলে সমস্যাটা যে সহ'জে মিটবে না সেটা জানা আছে ক'র্তাদেরও। তাই তো বায়োবাবলের আইনকানুন আরও কঠিন করার হুঁশিয়ারি দিলেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান।

Back to top button