আইপিএলে চতুর্থবারের মত চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

দুবাই আইপিএল ২০২১-এ কলকাতাকে ২৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১২ সালের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ১৯০ তুলেছিল চেন্নাই। এ বার দু’রান বেশি তুলে চ্যাম্পিয়ন হলো তারা। চেন্নাই সুপার কিংসের ১৯৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে শুরুতে ভালই করে কলকাতা নাইট রাইডার্স। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে বড় সংগ্রহ পায় চেন্নাই সুপার কিংস। কেকেআরের হয়ে যথারীতি ওপেন করতে নামেন বেঙ্কটেশ আইয়ার ও শুভমন গিল। চেন্নাইয়ের হয়ে বোলিং শুরু করেন দীপক চাহার। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভা'রে কলকাতা কোন উইকেট না হারিয়েই তোলে ৫৫ রান।

১০.৪ ওভা'রে হাফ-সেঞ্চু'রি করা আইয়ারকে ফেরান শার্দুল ঠাকুর। তাঁর আগে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৩১ বলে ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চু'রি পূর্ণ করেন আইয়ার। আইয়ারকে আউট করার পর একই ওভা'রের শেষ ভলে সদ্য ক্রিজে আসা রানার উইকেটও তুলে নেন শার্দুল ঠাকুর। ১ বল খেলে খাতা খোলার আগেই ডু`প্লেসির হাতে ধ'রা পড়ে যান রানা। এরপরে মাঠে আসা নতুন ব্যাটসম্যান নারিন বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি। ১১.৩ ওভা'রে নারিনকে ফেরান হ্যাজে'লউড। ২ বলে ২ রান করে জাদেজার হাতে ধ'রা পড়েন তিনি।

এরপরে ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান আসেন ক্যাপ্টেন ইয়ন ম'রগান। তখন ৬টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪০ বলে ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চু'রি পূর্ণ করেন গিল। হাফ সেঞ্চু'রি করার পরে ১৩.২ ওভা'রে গিলকে ফিরিয়ে দেন চাহার। তখন পরবর্তী ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামেন দীনেশ কার্তিক। ৭ বলে মাত্র ৯ রান করে জাদেজার বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে তিনিও ফিরে যান। সাকিব মাঠে আসার আগে তখন মাত্র ৩১ রানের মা'থায় ৫ উইকেট হারায় কলকাতা। সাকিব মাত্র ২ বল মাঠে টিকে থাকেন। কোন রান না করেই তিনি জাদেজার এলবিডব্লিউর শিকার হন। ছয় মা'রতে গিয়ে আউট রাহুল ত্রিপাঠি। এরপরে ক্যাপ্টেন ম'রগানের উইকে'টে কলকাতার হার কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়। ৮ বলে ৪ রান করে চাহারের হাতে ধ'রা পড়েন নাইট অধিনায়ক।ওভা'র প্রতি রান দরকার হয় তখন ২২ রানের বেশি। ফার্গুসন এবং মাভি উইকে'টে কিছুটা টিকে থাকলে শুধু ব্যবধান কমে আসে। শেষ ওভা'রে এসে ব্রাভো পঞ্চ'ম বলে মাভির উইকেট তুলে নেন। শেষ বলে এক রান দিয়ে চেন্নাই পায় ২৭ রানের শিরোপা নির্ধারণী জয়।

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বোলিংটা তেমন ভালো হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। সাকিব-ফার্গুসন-বরুণরা উদারহস্তেই রান বিলিয়ে দিলেন। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভা'রে ৩ উইকেট হারিয়ে চেন্নাই ১৯২ রান করে। এদিন বল হাতে বেশ খরুচে ছিলেন সাকিব। ৩ ওভা'র বল করে তিনি ৩৩ রান দেন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় চেন্নাইয়ের। ওপেনিং জুটিতে গাইকওয়াদ ও ডু প্লেসিস তুলেন ৬১ রান। ব্যক্তিগত ৩২ রানে গাইকোওয়াদ নারাইনের শিকার হলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন ডু প্লেসিস।

Back to top button