দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জয়ের টেস্ট সেঞ্চু'রি

গত ২০ বছরে তিন দফা দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেও সেঞ্চু'রি হাঁকাতে পারেননি বাংলাদেশের কোনো ব্যাটার। টেস্টে এতদিন দক্ষিণ আফ্রিকায় দূরে থাকুক, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দেশের মাটিতেও কোনো টেস্ট শতক ছিল না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। সেই শূন্যতা ঘুচালেন মাহমুদুল হাসান জয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের আগের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ছিল মুমিনুল হকের। পচেফস্ট্রুমে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ৭৭ রান করেছিলেন বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক।
জয়ের প্রথম সেঞ্চু'রিতে কিছুটা আশায় বাংলাদেশ। একের পর এক উইকে'টের পতনের মুখে দৃঢ়তা দেখিয়ে ২৬৯ বলে শতরান পূর্ণ করেন জয়। চা বিরতির আগে ১০৬ রানে অ'পরাজিত ছিলেন জয়, সঙ্গে ছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ ২৪ রানে।

এর আগে অহেতুক রান আউট হয়ে বিদায় নিলেন ইয়াসির আলী। ৮৯তম ওভা'রে ডুয়ানে অলিভিয়েরের বল মিড উইকে'টে পাঠিয়ে ছোটেন জয়। প্রথম কল ছিল দুই রানের, তবে সেটি সম্ভব নয় বুঝতে পেরে ইয়াসিরকে ফিরিয়ে দেন তিনি। তবে ততক্ষণে অনেক দূর চলে আসা ইয়াসিরের আর ফেরার পথ ছিল না। দুই ব্যাটসম্যান চলে আসেন এক প্রান্তে। ফিল্ডারের বাজে থ্রোর পরও তাই বেল ফেলতে অনেক সময় ছিল কাইল ভেরেইনার হাতে।

৩৭ বলে ২২ রান করে আউট হন ইয়াসির। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকে'টে ২৫৭ রান। এখনও ১১০ রানে পিছিয়ে মুমিনুল হকের দল।

এর আগে ডারবানের কিংসমিডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতেই উইকেট হারালেও চাপে ভেঙে পড়েনি বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান জয়ের রেকর্ড গড়া ইনিংস ও ভাগ্যকে পাশে পাওয়া লিটন দাসের ব্যাটে শেষ পর্যন্ত তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনটি নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ।

কিন্তু লাঞ্চের পর দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান লিটন দাস। উইলিয়ামসের বলে বোল্ড হন ৯২ বলে ৪১ রান করা লিটন।

এদিন সকালের সেশনে ৩০ ওভা'রে তাসকিন আহমেদকে হারিয়ে ৮৫ রান যোগ করে সফরকারীরা। লাঞ্চে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের রান ছিল ৫ উইকে'টে ১৮৩।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ১২১ ওভা'রে ৩৬৭

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১০৭ ওভা'রে ২৫৭/৭

Back to top button